Custom Search

আমার বন্ধু রশিদ || চিরকুমার বৃত্তান্ত

Photo Credit: Seagul


ইন্টারমিডিয়েটে পড়াকালীন সময়ে আমাদের একটা ফ্রেন্ড সার্কেল ছিল।কি জানি নাম ছিল সার্কেলটার, এখন আর মনে নেই।কারণ কাহিনী অনেকদিন আগের। আমাদের উক্ত ফ্রেন্ড সার্কেলে রসিদ নামের একটা ছেলে ছিল।যাকে আমি রইস্যা বলে ডাকতাম। সে সবার বন্ধু ছিল কিন্তু আমার একটু বেশি।এসুবাদে তার সকল সুখদুখের গল্প আমি জানতাম।রসিদ বড় লোক বন্ধুদের দেখে হিংসে করতো খুব। সব সময় বলতো ইশশ! আমি যদি বড়লোক পিতার সন্তান হতে পারতাম। এই না পাওয়ার বেদনাটা তাকে সব সময় অসুখী করে রাখতো। তাই সব সময় নিজের বাবার অকল্যায়ন, বাপের নিন্দা করে বেড়াতো।হতাশা ভরা নিঃশ্বাস ফেলে বলতো খোদা কেন যে আমাকে বড়লোকের ছেলে বানাইলো না।একদিন আত্বজিজ্ঞাসার ছলে রশিদ নিজেই বলে ফেলল,আচ্ছা আমার ছেলে কি বড় লোক বাপের সন্তান হতে পারবে?আমি হঠাৎ ওর মুখে এই ধরণের কথা শুনে থমকে যাই।কি বলব ভেবে পাচ্ছিলাম না।তাই চুপ করে বসে থাকলাম কিছুক্ষণ। এরপর.......।এরপর অনেক বছর কেটে গেছে। ভেঙে গেছে আমাদের ফ্রেন্ড সার্কেল। সাবেক বন্ধুরা বুড়ো হয়ে গেছে, কেউ কেউ নানা নানিও হয়ে গেছেন ।কিন্তু আমার গরিব বন্ধু রশিদ আজও বিয়ে করেনি। । 

জুয়েল মিয়াজী
ফোকলোর বিভাগ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
জুয়েল মিয়াজী

Spread the love

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোকলোর চর্চা

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোকলোর বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে

ফোকলোর বিষয়ক সেমিনার
জুয়েল মিয়াজী ( বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি): গত ১৮ ই এপ্রিল ২০১৭ মোঙ্গলবার 

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোকলোর বিভাগের অায়োজনে অান্তর্জাতিক পরিসরে ফোকলোর চর্চা ওক্ষেত্রসমীক্ষার রীতিপদ্ধতি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।উক্ত সেমিনারের প্রধান বক্তা ছিলেন ভারতের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. অসীমানন্দ গঙ্গোপাধ্যায়।সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব,ড.মো: সাইফুল ইসলাম। সেমিনারের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক এবং উক্ত সেমিনারের প্রধান আয়োজক জনাব সাকার মুস্তাফা। সেমিনারে অারো উপস্থিত ছিলেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক জনাব আল জাবির সহ নৃবিজ্ঞান বিভাগ,পপুলেশন সায়েন্স এবং ফোকলোর বিভাগের শিক্ষিকা জনাবা, নীগার সুলতানা এবং আতিজা দীল আফরোজ । প্রধান বক্তা ড অসীমানন্দ গঙ্গোপাধ্যায় বক্তব্যের শুরুতে ফোকলোরের উপর উপস্থিতিদের মৌলিক ধারণা দেন।তিনি মনে করেন যে আমাদের জীবন চলার পথে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ফোকলোরের প্রয়োজন রয়েছে এবং ফোকলোরের কোনদিনও ক্ষয়,কিংবা নিধন হয় না।সময়ের পরিবর্তনে যেমন মানুষের চাহিদা রুচি স্বভাবের পরিবর্তন হয়,তেমনি পরিবর্তন হয় ফোকলোরেরও।তাঁর কথা,সময়ের আবর্তনে ফোকলোর চর্চার রীতিপদ্ধতির পরিবর্তন হবে, কিন্তু ফোকলোর কোনদিনও মরবে না।তিনি ফোকলোরের সাথে নৃবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান এবং সাহিত্য সংস্কৃতির নিভির সম্পর্কের কথা উপস্থিত সভ্যদের নিকট তুলে ধরেন।তিনি অারো বলেন যে , ফোকলোর এমন একটি বিষয় যার অধ্যয়নে মানুষের সমাজ, রাষ্ট্রীয় জীবন তাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনের উপর সম্যক জ্ঞান লাভ করা যায়।অতঃপর তিনি মুলবিষয়, আন্তর্জাতিক পরিসরে ফোকলোর চর্চা ও ক্ষেত্রসমীক্ষার উপর জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য রেখে প্রধান বক্তার বক্তব্যের ইতি টানেন। সর্বশেষ সেমিনারের সমাপনী বক্তব্য দেন উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো সাইফুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই ভারত থেকে আগত বিশেষ অতিথিসহ এই সেমিনারের মূল আয়োজক জনাব সাকার মুস্তাফা সহ উপস্থিত সকল বিদ্বান এবং বিদ্যার্থীদের প্রতি প্রীতি ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করেন।তিনি আশা করেন যে এই সেমিনারের মাধ্যমে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগ এবং ভারতের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের সেতুবন্ধনের সৃষ্টি হবে। সর্বশেষ সেমিনারের মূলবিষয়ের উপর সংক্ষেপণ বক্তব্যের মাধ্যমে সেমিনারের ইতি ঘোষণা করা হয়। ছবি তুলেছেন: আবদুল্লাহ কায়সার প্রান্ত।
জুয়েল মিয়াজী

Spread the love

সহস্র শতাব্দী জুড়ে প্রেমিক হৃদয় শুধু জোছনার সাথে খেলা করে


This Photo is Taken from Maxpixel

প্রিয়া বিদায় এবং  অতঃপর

মাসুদ রায়হান 

শত শত প্রেমিকের কাঠ ফাটা গলার আর্ত
চিতকারে 
রাজপথ হাহাকার করে-
প্রেমিকারা পালিয়ে গিয়াছে বহুকাল হলো-
তাদের শরীরে এখন জোনাকী পোকা বাসা বেধেছে 
এখন তারা নাকি সুসভ্য আর ধরণী -মাতৃকার প্রতিমূর্তি
অথচ রাত হলেই তাদের নগ্ননৃত্যের ভারে ভারী হয়ে ওঠে রাতের আকাশ
অসুস্থ্য শহর আরো অসুস্থ্য হয়ে পড়ে
সারাদিন খেক শিয়ালের আনাগোনা তারি চারিধারেছিড়ে খুড়ে খেয়ে ফেলে রাতের জীবন্ত সব হায়েনারা।

সহস্র শতাব্দী জুড়ে প্রেমিক হৃদয় শুধু জোছনার সাথে খেলা করে
কবিতা খেয়ে বেঁচে থাকে
শব্দের সঙ্গে করে লুকোচুরি